সংবাদটা সকালেই পেলাম, আমাদের প্রিয় স্যার, আলতাফ স্যার আর এই জগতে নেই। সুমনের কাছ থেকে সংক্ষিপ্ত মেসেজ পেয়েছি। কল দিয়ে বিস্তারিত জানার সুযোগ হয়নি, কোন মতে রেডি হয়ে অফিসে আসতে হয়েছে। অফিসে আসার পথে ফোন দিয়েও খোঁজ নিতে পারিনি, অফিস থেকে একের পর এক কলের জবাব দিতে হয়েছে।
আলতাফ স্যার ছিলেন আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন জনপ্রিয় শিক্ষক। স্যারের বয়স হয়েছিল, তার মৃত্যু একটা স্বাভাবিক ঘটনা, তবুও শুনে মনটা খুব খারাপ হল।
ইচ্ছে ছিল স্যারের জানাজায় শরিক হতে, কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা মিটিং থাকায় সেটা সম্ভব হল না। সকালবেলায় অফিসে গিয়েই কাজে বসতে হল। মনটা খুব খারাপ থাকায় কাজেও মন বসাতে পারছি না, টুকটাক ভুল হয়ে যাচ্ছে।
আলতাফ স্যার ছিলেন আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন জনপ্রিয় শিক্ষক। স্যারের বয়স হয়েছিল, তার মৃত্যু একটা স্বাভাবিক ঘটনা, তবুও শুনে মনটা খুব খারাপ হল।
ইচ্ছে ছিল স্যারের জানাজায় শরিক হতে, কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা মিটিং থাকায় সেটা সম্ভব হল না। সকালবেলায় অফিসে গিয়েই কাজে বসতে হল। মনটা খুব খারাপ থাকায় কাজেও মন বসাতে পারছি না, টুকটাক ভুল হয়ে যাচ্ছে।













